এফআইআর দায়েরের পর অনিন্দিতা জানান, দীর্ঘদিন ধরে হিরণ তাঁকে ও তাঁর মেয়েকে মানসিক নির্যাতন করতেন। পাশাপাশি অভিযোগে বলা হয়, বিবাহিত অবস্থায় হিরণ ফের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। অনিন্দিতা এফআইআর করেন হৃতিকার বিরুদ্ধেও। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৮২(১), ৮৫ এবং ৫৪ ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ।


কয়েকদিন আগেই তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে শোরগোল পড়েছিল। তা নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি তিনি। তবে তাঁর প্রথম স্ত্রীর করা মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন অভিনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বেঞ্চ হিরণের আগাম জামিন মঞ্জুর করল। আদালতে আগাম জামিন পাওয়ার পরও এদিন কোনও মন্তব্য করেননি বিজেপি বিধায়ক।


গত ২০ জানুয়ারি হিরণের সঙ্গে মডেল-অভিনেত্রী হৃতিকা গিরির বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ে। তারপরই অভিনেতা-বিধায়কের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, হিরণের সঙ্গে এখনও তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়নি। বিবাহ বিচ্ছেদ না করেই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন তাঁর স্বামী। আইনি পদক্ষেপেরও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। গত ২১ জানুয়ারি রাতে মেয়েকে নিয়ে আনন্দপুর থানায় পৌঁছে যান তিনি। হিরণের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন।


এফআইআর দায়েরের পর অনিন্দিতা জানান, দীর্ঘদিন ধরে হিরণ তাঁকে ও তাঁর মেয়েকে মানসিক নির্যাতন করতেন। পাশাপাশি অভিযোগে বলা হয়, বিবাহিত অবস্থায় হিরণ ফের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। অনিন্দিতা এফআইআর করেন হৃতিকার বিরুদ্ধেও। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৮২(১), ৮৫ এবং ৫৪ ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ওইসব ধারা অনুযায়ী, অভিনেতা বিধায়কের ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে।


প্রথম স্ত্রীর এই মামলাতেই আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন খড়্গপুর সদরের বিধায়ক হিরণ। এদিন সেই আবেদনের শুনানি হয় বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে। হিরণের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন বিচারপতি। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে হিরণের কাছে এটা বড় স্বস্তি।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours