একজন এলাকার দুবারের প্রাক্তন বিধায়ক। বামের হাত ধরে কংগ্রেসের হয়ে জিতে ২০১১ তে বিধায়ক হয়েছিলেন শঙ্কর মালাকার। এরপর বামের হাত ধরে কংগ্রেসের টিকিটে ফের বিধায়ক হন শঙ্কর। কিন্তু গত ২০২১ সালের বিধানসভায় কগ্রেসের হয়ে দাড়িয়ে হারতে হয়।

আসন একটি, দাবিদার দুই, আদা-জল খেয়ে এক শিবির থেকে দু’জনেই ময়দানে, হচ্ছেটা কী মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে?
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর



 আসন একটি, দাবিদার দুই। একজন প্রাক্তন বিধায়ক, অন্যজন বিদ্রোহী তৃণমূল কাউন্সিলর। বিপুল ব্যবধানে বিজেপির কছে হারা মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রে এবার জয়ের চেষ্টায় ময়দানে আদা-জল খেয়ে নেমে পড়েছেন দু’জনেই। তাড়িয়ে উপভোগ করছে পদ্ম শিবির। 

একজন এলাকার দুবারের প্রাক্তন বিধায়ক। বামের হাত ধরে কংগ্রেসের হয়ে জিতে ২০১১ তে বিধায়ক হয়েছিলেন শঙ্কর মালাকার। এরপর বামের হাত ধরে কংগ্রেসের টিকিটে ফের বিধায়ক হন শঙ্কর। কিন্তু গত ২০২১ সালের বিধানসভায় কগ্রেসের হয়ে দাড়িয়ে হারতে হয়। তারপরই তৃণমূলে যোগ দেন শঙ্কর। তিনিই তৃণমূলের টিকিট পাবেন এই আশায় রোজ ছুটছেন এলাকায়। শঙ্করের দাবি, এবার ঘাসফুল জিতবে। তাঁর সাফ কথা, দল টিকিট দিলে আমিই জিতব। দলে কাঁটা থাকবেই। ওসব পাশে সরিয়ে রেখেই জিতব। এলাকায় সব পঞ্চায়েত, মহকুমা পরিষদ আমরাই জিতেছি। মানুষ আমাদের চায়। 


বাড়িতে ছিল না ছেলে, রানাঘাটে ঘরের ভিতরে একসঙ্গে বৌমা আর বেয়ানকে পেয়েই ঘটনা ঘটিয়ে ফেললেন শ্বশুর
অন্যজন দিলীপ বর্মন। দূর্নীতির অভিযোগ তুলে মেয়র গৌতম দেব ও পৌরবোর্ডকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছেন তিনি। দলের কাউন্সিলর ও মেয়র পারিষদ হলেও শিলিগুড়িতে আপাতত কোণঠাসা অভিষেক ঘনিষ্ট দিলীপ। নিজের ওয়ার্ডের কাজ সেরে তিনিও রোজ ছুটছেন ওই বিধানসভা এলাকায়। শঙ্করকে খোঁচ দিয়ে তিনি বলছেন, দু’বারের বিধায়ক একুশে হারলেন কেন? মানুষ তো বেইমান নয়। কাজ না করলে হারতেই হয়। আমি এলাকায় রোজ কাজ করি। আমায় টিকিট দিলে প্রথমবার ঘাসফুল জিতবে এলাকায়। 

অন্যদিকে বিধায়ক আনন্দময় বর্মন বলছেন, “এলাকায় হিন্দুত্বর চোরাস্রোত বইছে। গত লোকসভা ও বিধান সভায় ৭৫ হাজারের ব্যবধান ছিল। এবার তা আরও বাড়বে। ওরা আসে গ্রাম-বাংলা লুঠ করতে। আমরা গ্রমে থাকি। মানুষের পাশে থাকি।” 
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours