গত সোমবার থেকে নিপা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত জানা যাচ্ছে দুজন নিপায় আক্রান্ত। আরও দু'জনকে সন্দেহ করা হচ্ছে। যেদিন প্রথম খবর এসেছিল ওইদিনই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা এই বিষয়ে কথা বলতে ফোন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
নিপা নিয়ে কেন্দ্রের সাহায্য চাওয়া উচিত মমতার, সুকান্ত বলতেই কুণালের জবাব, করোনা ওরাই ছড়িয়েছিল
সুকান্ত মজুমদার ও কুণাল ঘোষ
বাংলায় চার জন আক্রান্ত নিপায়। এবার সেই নিয়েও চলছে কেন্দ্র ও রাজ্যের টানাপোড়েন। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, নিপা মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের উচিত কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলা। অন্যদিকে, পাল্টা আবার তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের জবাব, কেন্দ্রর থেকে রাজ্যকে শিখতে হবে না। করোনার সময় ভোটের দফা বাড়িয়ে রোগ ছড়িয়েছিল কেন্দ্র।
গত সোমবার থেকে নিপা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত জানা যাচ্ছে দুজন নিপায় আক্রান্ত। আরও দু’জনকে সন্দেহ করা হচ্ছে। যেদিন প্রথম খবর এসেছিল ওইদিনই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা এই বিষয়ে কথা বলতে ফোন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি জানিয়েছিলেন, পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্র থেকে একটি বিশেষজ্ঞ টিম পাঠানো হচ্ছে।
এই আবহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজ্যের উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা চাওয়া। যাঁরা জীবাণু বিশেষজ্ঞ রয়েছেন, সেই টিমকে উচিত ডেকে পাঠানো। যাতে আর বাংলার মানুষের প্রাণ না যায়।” এ দিকে আবার কুণাল বলেন, “আমাদের শেখাতে হবে না। সুকান্তবাবুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে শেখাতে হবে না। করোনা যখন হয়েছিল তখন মোদী সরকারের অপদার্থতার জন্য সারা ভারতে করোনা ছড়িয়েছিল। তারপর বিনা নোটিসে লকডাউন, কোটি কোটি মানুষ পথে বসেছিলেন। এরপর ২০২১ সালের নির্বাচনে যখন তৃণমূল বারবার বলেছে, করোনা বাড়ছে ভোটের দফা কমান। তখন জোর করে ভোটের দফা বাড়িয়ে করোনা ছড়িয়েছিল। তাঁদের কাছ থেকে আজ জ্ঞান শুনব?”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours