বিপ্লব দেবের মতো নেতার উপস্থিতিতে জনসভায় দেওয়া বিজেপি নেতার এই ‘বলপূর্বক’ জেলা পরিষদ দখলের হুঁশিয়ারি নিয়ে জলপাইগুড়ির রাজনৈতিক আঙিনায় বিতর্ক এখন জোর পাক খাচ্ছে। পাল্টা তীব্র আক্রমণ শানাতে শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

ঘাড় ধাক্কা দিয়ে জেলা পরিষদ থেকে বের করে দেওয়া হবে’, বিপ্লব দেবের সামনে কাদের উপর রেগে গেলেন বিজেপি নেতা?
চাপানউতোর রাজনৈতিক মহলে


জলপাইগুড়িতে বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’কে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল জেলার রাজনৈতিক মহল। দলীয় সভা থেকে জেলা পরিষদ দখল ও তৃণমূল সদস্যদের পদত্যাগ করানো নিয়ে বিজেপি নেতার বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে এই তরজা। শুক্রবার জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের মানিকগঞ্জ এলাকায় ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের উপস্থিতিতে এই সভায় বিজেপি জেলা কমিটির সহ-সভাপতি চন্দন বর্মন তৃণমূলকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দেন।


বিজেপি নেতা চন্দন বর্মনের সাফ কথা, আসন্ন নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় আসা মাত্রই জেলা পরিষদ পুনর্দখল করা হবে। তাঁর অভিযোগ, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ছাপ্পা ভোটের মাধ্যমে তৃণমূল সদস্যরা জয়ী হয়েছেন। চন্দনবাবু বলেন, “ক্ষমতায় এসে আমাদের প্রথম কাজ হবে ছাপ্পা ভোটে জেতা সদস্যদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করা। যদি তাঁরা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করেন, তবে তাঁদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে জেলা পরিষদ থেকে বের করে দেওয়া হবে।”

এবার মুখ্যমন্ত্রীকে মানহানির চিঠি শুভেন্দুর
Balochistan: বালোচিস্তানে কলকাঠি নাড়ছে চিন? বড় ভারতের উপর চাপ বাড়িয়ে ফেব্রুয়ারিতে কী পরিকল্পনা লালফৌজের?
তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে তরজার মধ্যেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলা তৃণমূল সম্পাদক বিকাশ মালাকার এই বক্তব্যের কড়া নিন্দা করে জানান, বিজেপি নেতার এই ভাষা অগণতান্ত্রিক এবং বাংলার সংস্কৃতি বিরোধী। তাঁর দাবি, জনসমর্থন হারিয়ে বিজেপি এখন হুমকি ও পেশিশক্তির রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। পরাজয়ের ভয়েই তাঁরা এই ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য করছেন বলে তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে পালটা তোপ দাগা হয়েছে।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours