১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তৃণমূলের তুলোধনাও করেছিলেন। তাঁর সাফ কথা, বিজেপির সরকার বাংলায় সিন্ডিকেট ট্যাক্স ও মাফিয়ারাজ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করবে। তিনি বলেন, “ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেই শিল্প ও বিনিয়োগ বাংলায় আসবে। এটা মোদীর গ্যারান্টি।”

নরেন্দ্র মোদীর সভার পরে কী সিঙ্গুরে মুখ্যমন্ত্রী সভা করতে চলেছেন? প্রশাসনিক মহলের জল্পনা সব ঠিক থাকলে ২৮ জানুয়ারি সিঙ্গুর যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে প্রশাসনিক সভা করে একাধিক প্রকল্পের ঘোষণার পাশাপাশি আরও ১৬ লাখ মানুষকে বাংলার বাড়ি করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই ১৬ লক্ষ পরিবারকে তাঁর সরকার বাড়ি বানানোর টাকা দেওয়ার ঘোষণা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই দফায় ১৬ লাখ মানুষকে বাড়ি করে দিতে রাজ্য সরকারের খরচ হবে প্রায় ১৯ হাজার কোটির বেশি টাকা।

১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তৃণমূলের তুলোধনাও করেছিলেন। তাঁর সাফ কথা, বিজেপির সরকার বাংলায় সিন্ডিকেট ট্যাক্স ও মাফিয়ারাজ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করবে। তিনি বলেন, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেই শিল্প ও বিনিয়োগ বাংলায় আসবে। এটা মোদীর গ্যারান্টি।” পরিবর্তনের পক্ষে আওয়াজ তুলে বিজেপির পক্ষে ভোট দেওয়ার পক্ষেও জোরাল সওয়াল করেন। বলেন, “বিজেপিকে দেওয়া একটি ভোটই হিংসা শেষ করবে। আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে। সন্দেশখালির মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করবে এবং নারীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে।” ওইদিন সিঙ্গুর থেকে ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন, শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী। বেশ কিছু নতুন রেল লাইন ও ট্রেনেরও সূচনা করেন। 


বিধানসভা ভোটে কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে কলকাতায়? জরুরি বৈঠক
এক সময় এই সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে পরিবর্তনের রূপরেখা এঁকে দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার হার না মানা আন্দোলনের কাছে পাততাড়ি গুটিয়ে শেষ পর্যন্ত বাংলা ছাড়তে হয়েছিল টাটাদের। যদি ১৭ বছর পর সেই সিঙ্গুরে এসে সিঙ্গুরের শিল্প নিয়ে আলাদা করে বিশেষ বার্তা দিতে দেখা যায়নি মোদীকে। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর কম হয়নি। এখন মমতা গিয়ে কী বলেন সেটাই দেখার। 
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours