নীল-সাদা বেলুন উড়িয়ে গঙ্গাসাগরের মহালগ্ন শুরু: মেলা ও কন্ট্রোলরুমের উদ্বোধন
পূর্ণ্যার্থীদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠেছে সাগরতট। শনিবার বিকেলে নীল-সাদা বেলুন উড়িয়ে এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে ২০২৬ সালের গঙ্গাসাগর মেলার আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা হলো। সাগরের মেলা প্রাঙ্গণে অবস্থিত মেলা অফিসে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মেলার পাশাপাশি এদিন থেকেই সক্রিয় করা হয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত প্রশাসনিক কন্ট্রোলরুমটিও।মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। উপস্থিত ছিলেন
বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা: সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী। অরবিন্দ কুমার মিনা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক। বাপি হালদার: মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ। কোটেশ্বর রাও: সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারকানাইয়া কুমার রাও: সাগরের বিডিও,এছাড়াও প্রশাসনের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা এই অনুষ্ঠানে সামিল হন। মেলার উদ্বোধনের সঙ্গেই এদিন থেকে সরকারিভাবে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়ে গেল। মেলা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কয়েক হাজার পুলিশ কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের ডিউটি আজ থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, আজ অর্থাৎ শনিবার থেকে আগামী ১৭ই জানুয়ারি পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণে মোতায়েন থাকবে বিশাল বাহিনী। ভিড় সামলানো, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুণ্যার্থীদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য মেলা মাঠের প্রতিটি কোণায় কর্মীরা নিজেদের অবস্থানে নেমে পড়েছেন। জেলাশাসক জানান, তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা এবং স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে ড্রোন নজরদারি থেকে শুরু করে জলপথে কড়া পাহারার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মেলার উদ্বোধন হতেই সাগরতটে পুণ্যার্থীদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। মন্ত্রীর কথায়, "এবারের মেলা যাতে নির্বিঘ্নে এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে সম্পন্ন হয়, তার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর।" গঙ্গার পবিত্র স্নান এবং কপিল মুনির আশ্রমে পূজা দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে ভিন রাজ্য থেকেও ভক্তরা আসতে শুরু করেছেন।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours