রাজ্যে এসআইআর পর্ব শুরু হতেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে লাগাতার ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিএলও-রা। ট্রেনিংয়ে গিয়ে কাজের চাপ নিয়ে কেঁদে ভাসিয়েছেন অনেকে। এসেছে বেশ কিছু মৃত্যুর খবরও। তা নিয়ে প্রশাসনিক মহলের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও বিস্তর চাপানউতোর হয়।

 কয়েকদিন আগেই ব্রেনস্ট্রোক! অসুস্থ সহকর্মীকে অ্য়াম্বুলেন্সে নিয়ে এসে CEO দফতরে তুমুল বিক্ষোভ BLO-দের
ফের বিক্ষোভে বিএলও-রা

ফের সিইও দফতরের সামনে আছড়ে পড়ল বিএলও-দের বিক্ষোভ। এবার এক্কেবারে ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত বিএলও-কে নিয়ে ছুটে এল পরিবারের সদস্যরা। এই অবস্থায় কীভাবে চলবে সংসার, প্রশ্ন তুললেন পরিবারের সদস্যরা। সিইও অফিসের সামনা ধরনাতেও বসল বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি। পিছনে দাঁড়িয়ে রইল অ্যাম্বুলেন্স। সেখানেই রইলেন নামখানার বাসিন্দা অসুস্থ ওই বিএলও দেবাশিস দাস। গত ১০ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালে। এদিনই ছাড়া পান। পরিবারের সদস্যদেক অভিযোগ, কাজের চাপেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। একই কথা সহকর্মীদেরও। 

কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন অসুস্থ দেবাশিস দাসের ছেলে সৌরভ দাস। তিনি বলছেন, শুরু থেকেই ওনারা কোনও খবর নেননি। বাবার শারীরিক অবস্থা কেমন, কতটা সঙ্কটজনক কিছুই জানতে চাননি। আমরা ডেপুটেশন দিয়েছি। বিএলও-দের জন্য যে ইনস্যুরেন্স রয়েছে তার কথা বলেছি। আমরা ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়েছি। 



ঢুকছে না ভাতা, মমতার সভায় এসে ক্ষোভ উগরে দিলেন পরিযায়ী শ্রমিক
আন্দোলন মঞ্চ থেকেই আর এক বিএলও বললেন, “দেবাশিসবাবু তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন এটাই চাই। আর সঙ্গে আমাদের এই এত কাজের চাপ, এত মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেওয়া হোক। এটাই চাই। কমিশন আমাদের কথা ভাবছে মুখে বললেও, নানা নির্দেশ দিলেও আমাদের চাপ কিছুতেই কমছে না।” 

রাজ্যে এসআইআর পর্ব শুরু হতেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে লাগাতার ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিএলও-রা। ট্রেনিংয়ে গিয়ে কাজের চাপ নিয়ে কেঁদে ভাসিয়েছেন অনেকে। এসেছে বেশ কিছু মৃত্যুর খবরও। তা নিয়ে প্রশাসনিক মহলের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও বিস্তর চাপানউতোর হয়। একের পর এক মৃত্য়ুর সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে এসআইআর তত্ত্ব। ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এরইমধ্যে এর আগে একাধিকবার সিইও দফতরে আছড়ে পড়েছে বিএলও-দের বিক্ষোভ।  
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours