ভয়াবহ বিস্ফোরণ হাওড়ায়, বাড়ির ছোট্ট ছেলেকে বীভৎস অবস্থায় দেখলেন মা
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "আমরা ঘরেই ছিলাম। হঠাৎ বিকট আওয়াজ হয়েছে। সাধারণ বাজির আওয়াজের থেকেই বেশি। শুনেছি বাচ্চার একটা আঙুল উড়ে গেছে।" এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, "কিছু ছেলে এসে খেলছিল। একটি পটকা জাতীয় জিনিসে আগুন দিতে যায়। তখনই একটা বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। বাচ্চার লেগেছে। ওর কোথায় কোথায় আঘাত লেগেছে সেটা দেখা যাচ্ছে?" আহতের নাবালকের মা বলেন, "আমার ছেলে আর অনেকগুলো বাচ্চা খেলছিল। একটা শব্দ শুনে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখি এই অবস্থা।"
স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়ার ১০ নম্বর বোধন মিস্ত্রি লেনে বাড়ির সামনেই বন্ধুদের সঙ্গে বছর দশের এক নাবালক। খানিকবাদেই তার মা একটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। দৌড়ে বাড়ির বাইরে এসে দেখেন আহত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে রয়েছে তাঁর ছেলে। নাবালকের ডান হাত ও ডান চোখে লেগেছে গুরুতর আঘাত। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাওড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে জনবহুল একটা জায়গায় কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তার তদন্তে নেমেছে ব্যাঁটরা থানার পুলিশ। বিস্ফোরণস্থলে উপস্থিত হয়েছেন হাওড়া সিটি পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরাও।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা ঘরেই ছিলাম। হঠাৎ বিকট আওয়াজ হয়েছে। সাধারণ বাজির আওয়াজের থেকেই বেশি। শুনেছি বাচ্চার একটা আঙুল উড়ে গেছে।” এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “কিছু ছেলে এসে খেলছিল। একটি পটকা জাতীয় জিনিসে আগুন দিতে যায়। তখনই একটা বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। বাচ্চার লেগেছে। ওর কোথায় কোথায় আঘাত লেগেছে সেটা দেখা যাচ্ছে?” আহতের নাবালকের মা বলেন, “আমার ছেলে আর অনেকগুলো বাচ্চা খেলছিল। একটা শব্দ শুনে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখি এই অবস্থা।”
বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, “সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এই রাজ্যে খুঁজতে চাওয়া বোকামি। আর ওই যে পুলিশ কর্তা বলছেন, একটা বাজি….একটা পটকা। এটা কোনও কথা? ওঁর বাড়িতেও তো বাচ্চা আছে। এই যদি এ রাজ্যে পুলিশের অবস্থা হয় কিছু বলার নেই। তৃণমূল মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ বলেন, “এখানে অন্য কিছু বলার নেই। যে দুষ্কৃতীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাঁদের দল-মত নির্বিশেষে শাস্তি দিতে হবে।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours