গঙ্গাসাগর মেলার আগে গুড়ের পসরা সাজাতে ব্যস্ত খেজুর গুড় ব্যবসায়ীরা

​আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে, আর এই মেলাকে কেন্দ্র করে সাগরদ্বীপ এবং মেদিনীপুর জেলার স্থানীয় খেজুর গুড় ব্যবসায়ীরাও চূড়ান্ত ব্যস্ততা শুরু করে দিয়েছেন। মেলার ভিড়কে কেন্দ্র করে গুড়ের চাহিদা যে তুঙ্গে উঠবে, তা নিশ্চিত জেনেই রাত-দিন এক করে চলছে গুড় তৈরির কাজ।
​স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, এই সময়টায় কেবল সাধারণ লোকাল মানুষজনই নন, মেলায় ডিউটিতে আসা বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকেরাও বাড়ি ফেরার সময় কমবেশি প্রত্যেকেই গঙ্গাসাগর থেকে খাঁটি খেজুর গুড় কিনে নিয়ে যান। এই বিশেষ চাহিদা পূরণের জন্যই মেলার কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই গুড় প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়ে যায়। গুড়ের মান বজায় রেখে অধিক উৎপাদনের জন্য এই সময়ের দিকে তাকিয়ে থাকেন সাগরদ্বীপের বহু পরিবার, এবং মেদিনীপুর থেকেও বহু ব্যবসায়ী তাঁদের পসরা নিয়ে এখানে আসেন।
​তবে গুড় প্রস্তুতের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের একটি বড় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ক্রমশ খেজুর গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তাঁরা পর্যাপ্ত পরিমাণে গুড় তৈরি করতে পারছেন না। এক গুড় ব্যবসায়ী আক্ষেপ করে বলেন, "যদি বেশি সংখ্যক খেজুর গাছ থাকত, তবে আমরা আরও বেশি পরিমাণে গুড় তৈরি ও বিক্রি করতে পারতাম এবং আরও বেশি লাভবান হতাম।"

​এই বছরও মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নানকে কেন্দ্র করে লাখো পুণ্যার্থীর ভিড় জমবে গঙ্গাসাগরে, যার ফলে গুড়ের ব্যবসা চাঙ্গা হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় ও মেদিনীপুরের ব্যবসায়ীরা। প্রকৃতির উপহার এই সুস্বাদু গুড় দিয়েই নিজেদের অর্থনীতির হাল ফেরাতে প্রস্তুত সাগরদ্বীপ ও মেদিনীপুর থেকে আগত গুড় শিল্পীরা।
​গুড় ব্যবসায়ী প্রশান্ত কান্ডার বলেন, এই গুড় সাগরে পাওয়া যাবে।
​মোনালিসা অটো শোরুম কৃষ্ণনগর বাজার: কচুবেড়িয়া থেকে গঙ্গাসাগর যাওয়ার পথে কৃষ্ণনগর বাজারের কিছুটা আগে পূর্ব সাইটে (গঙ্গাসাগর থেকে কচুবেড়িয়া যাওয়ার রাস্তার কৃষ্ণনগর বাজার পেরিয়ে তার ডান সাইটে)।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours