মূলত, এই মামলার মূল মামলাকারী ছিলেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। আজ শুনানির পর তিনিই জানিয়ে দেন যে উচ্চ-আদালতে যাচ্ছেন। তরুণজ্যোতি বলেন, "আদালতের উপর সম্পূর্ণ ভরসা আছে। কোর্ট সব পক্ষ শুনেছে। তার জন্য ধন্যবাদ। আমরা বলেছিলাম স্থগিত রাখতে। তবে বিচারপতি স্থগিত রাখেনি। বিচারপতি দুর্নীতির কথাও বলেছেন, তবে মূল বিষয় ছিল সেন্টিমেন্ট (আবেগ)। এখানে কিন্তু দুর্নীতির জয় হয়নি। তদন্ত চলবে। আমরা এবার সুপ্রিম কোর্টে যাব।" 


সুপ্রিম কোর্টে যাব', বললেন তরুণজ্যোতি, কৌস্তবের বক্তব্য, 'এই রায় বহাল থাকবে না, থাকতে পারে না'
কৌস্তভ বাগচি ও তরুণজ্যোতি তিওয়ারি


বত্রিশ হাজারের চাকরি বহাল রেখেছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ঋতব্রতকুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, দীর্ঘ ৯ বছর পর চাকরি বাতিল হলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে। এমনকী, যাঁরা চাকরি করছেন তাঁদের পরিবারের দিকটিও ভেবে দেখতে হবে বলে রায় দেওয়ার আগে জানান বিচারপতি। তবে এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার উচ্চ-আদালতে যাবেন বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।

মূলত, এই মামলার মূল মামলাকারী ছিলেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। আজ শুনানির পর তিনিই জানিয়ে দেন যে উচ্চ-আদালতে যাচ্ছেন। তরুণজ্যোতি বলেন, “আদালতের উপর সম্পূর্ণ ভরসা আছে। কোর্ট সব পক্ষ শুনেছে। তার জন্য ধন্যবাদ। আমরা বলেছিলাম স্থগিত রাখতে। তবে বিচারপতি স্থগিত রাখেনি। বিচারপতি দুর্নীতির কথাও বলেছেন, তবে মূল বিষয় ছিল সেন্টিমেন্ট (আবেগ)। এখানে কিন্তু দুর্নীতির জয় হয়নি। তদন্ত চলবে। আমরা এবার সুপ্রিম কোর্টে যাব।”


এই মামলায় তাঁকে জেল থেকে ডেকে এনেছিলেন অভিজিৎ, ৩২০০০ চাকরি বহাল থাকায় মানিক বললেন...
তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় রায় দিয়েছিলেন, সেই সময় গোটা ইন্টারভিউ প্রসিডিওর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, গোটা ইন্টারভিউ পদ্ধতিতেই গলদ ছিল। সেই কারণে তিনি চাকরি বাতিল করে দিয়েছিলেন। তবে আজ বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর বক্তব্য, আদালত কোনও ‘রোমিং এনকোয়ারি’ চালাতে পারে না। দ্বিতীয়ত, যাঁরা এতদিন ধরে চাকরি করছিলেন, তাঁদের পড়াশোনা করানোর ধরনের উপর কোনও প্রশ্ন ওঠেনি। তৃতীয়ত, যখন এই সাক্ষাৎকার পর্ব (ইন্টারভিউ প্রসেস) চলছিল, সেই সময় যিনি পরীক্ষক ছিলেন তিনি টাকা নিয়ে অতিরিক্ত নম্বর দিয়েছেন তাঁর কোনও প্রমাণ নেই। যার ফলে গোটা সাক্ষাৎকার পর্বে যে গলদ হয়েছে সেটা একেবারে বলা যাচ্ছে না।

একা তরুণজ্যোতি নন, অপর আইনজীবী কৌস্তভ বাগচিও মুখ খুলেছেন। তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “বিচারপতিদের প্রতি পূর্ণ সম্মান ও শ্রদ্ধা রেখে বলছি, সেন্টিমেন্টের দোহাই দিয়ে দুর্নীতি আইনি মান্যতা পেতে পারে না। হলফ করে বলতে পারি, এই রায় বহাল থাকবে না। থাকতে পারে না। এই রায় বহাল থাকলে অদ্ভুত ও ভয়ংকর রকমের নজির সৃষ্টি হবে।”
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours