এরইমধ্যে এবার নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চাওয়ার পরেই কয়েকশো’ বুথে মৃত ভোটারের সংখ্যায় বদল এসেছে। ডিইও-র তরফে তথ্য এসেছিল ২২০৮টি বুথে কোনও মৃত, স্থানান্তরিত ভোটার নেই। ওই সব বুথে যত ভোটার এনুমারেশন ফর্ম বিলি হয়েছিল, পূরণ করে সবই জমা হয়েছে। কিন্তু এরইমধ্যে চাওয়া হয়েছিল রিপোর্ট।
আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত কত নাম বাদ গেল? জেনে নিন
নির্বাচন কমিশন
ক্রমেই বেড়ে চলেছে সংখ্য়াটা। এরইমধ্যে মঙ্গলবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন থেকে আসা তথ্য বলছে এখনও পর্যন্ত মোট ৪৬ লক্ষ ২০ হাজার এনুমারেশন ফর্ম ফেরত এসেছে। তার মধ্যে ২২ লাখ ২৮ হাজারই মৃত। এই নামগুলি বাদ পড়তে চলেছে বলে খবর। নিখোঁজ ৬ লাখ ৪১ হাজার ভোটার। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত হয়েছে ১৬ লক্ষ ২২ হাজার ভোটার। পাশাপাশি ডাবল এন্ট্রি রয়েছে ১ লক্ষ ৫ হাজার ভোটারের।
এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত ভোটারের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে উত্তর কলকাতায়। যা প্রায় মোট ভোটারের ৬.৯১ শতাংশ। সংখ্যার বিচারে ১ লক্ষ ৪ হাজার ৭৬। কলকাতা দক্ষিণে মোট ভোটারের ৬.৯১ শতাংশই মৃত। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সংখ্য়া ২ লাখ। যা মোট ভোটারের ৬.৯ শতাংশ। উত্তর ২৪ পরগনায় সংখ্যাটা ৮৮ হাজার। যা মোট ভোটারের প্রায় ৩.৪৭ শতাংশ। অন্যদিকে এখনও পর্যন্ত সবথেকে কম মৃত ভোটার পাওয়া গিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। ১.৪ শতাংশ।
ডিটেনশন ক্যাম্প হতে দেব না’ হুঁঁশিয়ারি দিয়েও ‘কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে’ কেন্দ্রকে কাজ করার বার্তা মমতার
এরইমধ্যে এবার নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চাওয়ার পরেই কয়েকশো’ বুথে মৃত ভোটারের সংখ্যায় বদল এসেছে। ডিইও-র তরফে তথ্য এসেছিল ২২০৮টি বুথে কোনও মৃত, স্থানান্তরিত ভোটার নেই। ওই সব বুথে যত ভোটার এনুমারেশন ফর্ম বিলি হয়েছিল, পূরণ করে সবই জমা হয়েছে। এরইমধ্যে সোমবারই ওই সব জেলার কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে মঙ্গলবারই ওই সংক্রান্ত রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে সংখ্যাটা ২২০৮ থেকে কমে ৪৮০-তে দাঁড়িয়েছে।
সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। রায়দিঘিতে ৬৬, কুলপিতে ৫৮, মগরাহাটে ১৫, পাথরপ্রতিমায় ২০। একইসঙ্গে এদিন বহুতলগুলিতে বুথ করায় আরও একবার জেলা শাসকদের চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন। ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে জানাতে হবে কমিশনকে। ৭০০ থেকে ৮০০ ভোটার থাকলেই কমপ্লেক্সে করা যাবে বুথ।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours