আজ ভোর রাতে এফ বি পারমিতা ১১ ট্রলার টি কে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় নামখানা নারায়ন পুর ঘাটে কাছাকাছি।তার পর ট্রলারের ভিতর থেকে উদ্ধার হলো দুই জন মৎস্যজীবীর দেহ (সঞ্জীব দাস ও রাজন দাস)।
এখনও নিখোঁজ তিন মৎস্যজীবী। তাদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। মৎস্যজীবী সংগঠনের ট্রলার ও উপকূল রক্ষী বাহিনীর যৌথ উদ্যোগে এই উদ্ধার কাজ করা হচ্ছে।আজ ভোর রাতে দেহ গুলি কে কাকদ্বীপ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার পরে সমস্ত মৎস্যজীবীরা তাদের ট্রলার নিয়ে সমুদ্র থেকে ফিরতে শুরু করেছে। বাংলাদেশী নেভি র নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সমুদ্র থেকে মাছ ধরা ক্ষেত্রে বিরত থাকবে সমস্ত মৎস্যজীবী ট্রলার।
কারন এই ঘটনার পর সমস্ত মৎস্যজীবী সমুদ্রের মাছ ধরতে যেতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছে। উল্লেখ্য গত ১৩ই ডিসেম্বর এফ বি পারমিতা ১১ ট্রলার নামখানা নারায়নপুর থেকে রওনা দিয়েছিল গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য। কিন্তু ১৪ তারিখ ভোরেই তাদের উপর নেমে আসে বাংলাদেশী নেভি র নির্মম অত্যাচার। মাঝ সমুদ্রেই এক মৎস্যজীবী কে বল্লম ছুঁড়ে মেরে ফেলে।তার পর ট্রলারে বাকি মৎস্যজীবী থাকা অবস্থায় জাহাজ নিয়েছে ট্রলারটিকে ধাক্কা মেরে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর ১১ জনকে মৎস্যজীবী কে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও খোঁজ মিল ছিল না পাঁচ জন মৎস্যজীবীর। আজ ভোররাতে ট্রলারের ভিতর থেকে দুজন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করে প্রশাসন। আজ কাকদ্বীপ হাসপাতাল মর্গে দেহ ময়নাতদন্ত করা হবে। এখনও নিখোঁজ তিন মৎস্যজীবী।
স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার


Post A Comment:
0 comments so far,add yours