ঠিক সময়ে জয়ে ফেরার মাঝে রাজস্থান রয়্যালসের জোড়া স্বস্তি রয়েছে। প্রথমত, নকআউট ম্যাচে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পারফরম্যান্স, দ্বিতীয়ত লোয়ার অর্ডার ব্যাটিং। আরসিবির বিরুদ্ধে ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন অশ্বিন। আর সেটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়। না হলে রাজস্থানের টার্গেট আরও বড় হতে পারত। তেমনই ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেট হারিয়ে স্নায়ুর চাপে ভুগছিল রাজস্থান।


 কামিন্সদের আটকাতে স্পিন 'ওয়েব' বুনছে রাজস্থান! তুরুপের তাস অশ্বিন...


ওয়েব শব্দটা নিশ্চয়ই অচেনা নয়! অর্থটাও। জাল। আর নকআউট ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলতে জাল বোনা খুবই প্রয়োজন। মে মাসে প্রথম এবং প্রয়োজনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় ছিনিয়ে নিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। টানা চার ম্যাচে হার, লিগের শেষ ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় অস্বস্তিতে কাটছিল রাজস্থান রয়্যালসের। টুর্নামেন্টে তাদের শুরুটা যে ভাবে হয়েছিল, গত কয়েক সপ্তাহ ঠিক উল্টো কেটেছে। ট্রফির দৌড়ে থাকতে হলে এলিমিনেটর ম্যাচে জিততেই হত। স্নায়ুর চাপ সামলে দুরন্ত ছন্দে থাকা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে হারিয়েছে রয়্যালস। আজ ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার ম্যাচ। প্রতিপক্ষ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ভেনু, চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়াম।


ঠিক সময়ে জয়ে ফেরার মাঝে রাজস্থান রয়্যালসের জোড়া স্বস্তি রয়েছে। প্রথমত, নকআউট ম্যাচে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পারফরম্যান্স, দ্বিতীয়ত লোয়ার অর্ডার ব্যাটিং। আরসিবির বিরুদ্ধে ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন অশ্বিন। আর সেটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়। না হলে রাজস্থানের টার্গেট আরও বড় হতে পারত। তেমনই ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেট হারিয়ে স্নায়ুর চাপে ভুগছিল রাজস্থান। মনে হচ্ছিল, আরসিবি ম্যাচের রং বদলে দিতে পারে। এমন সময় রোভম্যান পাওয়েলের ৮ বলে ১৬ রানের ইনিংস এক ওভার বাকি থাকতেই রাজস্থানকে কোয়ালিফায়ারে পৌঁছে দেয়।

চিপক। এই মাঠে স্পিনাররা সাফল্য পাবেন এটাই প্রত্যাশিত। পিচের আচরণ এমনই। মরসুমের শুরুর দিকের ম্যাচগুলো বাদ দিলে, বাকি সব ম্যাচেই স্পিন দাপট দেখা গিয়েছে। আর চিপকের পিচ অশ্বিনের চেয়ে যে কেউ ভালো বুঝতে পারবেন না, বলার প্রয়োজন নেই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিধ্বংসী ব্যাটিং আক্রমণকেও যে চাপে ফেলা যায়, প্রথম কোয়ালিফায়ারে তা দেখিয়ে দিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। বাঁ হাতি পেসার মিচেল স্টার্ক শুরুর দিকটা সামলে দিয়েছেন, মিডল ওভারে স্পিন।


প্রথম কোয়ালিফায়ারে হেরে সানরাইজার্সের কাছে আজ ফাইনালে যাওয়ার দ্বিতীয় এবং এ বারের মতো শেষ সুযোগ। রাজস্থানের কাছেও তাই। যে জিতবে, ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মুখোমুখি হবে। চিপকে স্পিনের নিরিখে যেন কিছুটা হলেও এগিয়ে রাজস্থান রয়্যালস। পাওয়ার প্লে-তে ভরসা দেওয়ার জন্য ট্রেন্ট বোল্টের মতো বাঁ হাতি পেসার রয়েছেন।

তেমনই মিডল ওভারে অশ্বিন, চাহালের মতো দুই দক্ষ এবং অভিজ্ঞ স্পিনার। প্রয়োজনে কেশব মহারাজকে খেলানোর সুযোগ রয়েছে। পার্টটাইম হলেও স্পিন বোলিংয়ে ভরসা দিতে পারেন রিয়ান পরাগও। সে দিক থেকে সানরাইজার্সের বিকল্প সীমিত। আজ চিপকে স্পিনের জালেই ভরসা রাখছে রাজস্থান। তুরুপের তাস? এখানকার পিচকে হাতের তালুর মতো চেনা রবিচন্দ্রন অশ্বিন।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours