ED সূত্রে খবর, ধৃত চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁ র বাড়িতে লুকিয়ে রাখা ছিল ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গহনা। মিলেছে লুকিয়ে রাখা নগদ ২৮ লক্ষ টাকা। এই মামলার তল্লাশিতে অপর এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা নগদ মিলেছে।

কলকাতায় মিলল কাঁড়ি-কাঁড়ি টাকা, ইডি বাজেয়াপ্ত করল ৪ কোটি, সঙ্গে উদ্ধার সোনার গহনাও

কয়লা পাচারের নতুন মামলায় তদন্তে নেমেই উদ্ধার টাকার পাহাড়। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ চার কোটি ছুঁয়েছে, এমনটাই জানতে পারছে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে। ধৃত চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁর বাড়িতে মিলছে বিপুল টাকা ও গয়না। জানা যাচ্ছে, প্রায় সোয়া ১ কোটির মতো টাকা ও নগদ উদ্ধার হয়েছে।


ED সূত্রে খবর, ধৃত চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁ র বাড়িতে লুকিয়ে রাখা ছিল ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গহনা। মিলেছে লুকিয়ে রাখা নগদ ২৮ লক্ষ টাকা। এই মামলার তল্লাশিতে অপর এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা নগদ মিলেছে। এই মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে দু’মাস আগে। তাতেই চার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করতে সক্ষম হয়েছে। ইডি আগেই জানিয়েছিল, কয়লা চুরি ও দুর্নীতির টাকা প্রায় ১৭০ কোটি টাকারও বেশি। অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে এই টাকার অঙ্ক বাড়ছে। এই যে দু’কোটি টাকার গহনা অভিযুক্তরা কোথা থেকে সংগ্রহ করল তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।



মহুয়ার অভিযোগ পেয়েই নয়ডা ছুটল নদিয়ার পুলিশ, তারপর যা হল...
ইডি জানতে পেরেছে, লালার মাধ্য়মে নিজেদের কয়লা-সাম্রাজ্য তৈরি করেছিল চিন্ময়-কিরণ। ইতিমধ্যেই চিন্ময় ও কিরণকে বিশেষ ইডি আদালতে পেশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কয়লাপাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআই (CBI)। রাজ্য়ে রেলের বিভিন্ন সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির ঘটনা প্রকাশ্য়ে আসতেই প্রথমে আয়কর দফতর, পরে সিবিআই এই নিয়ে তদন্তে নামে। সেই সূত্র ধরেই বেরিয়ে আসে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার নাম। এর আগে গরু পাচার মামলার অভিযুক্ত এনামুল হকের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছিল। সেই লালাকেই পাওয়া গেল কয়লা মামলায়।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours