তৃণমূল পরিচালিত জামালপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সাহাবুদ্দিন মণ্ডল দাবি করেন, "তিনি খোঁজ নিয়ে জেনেছেন কোনও সমস্যার কারণে বৃদ্ধ শেখ ইব্রাহিম তাঁর নিজের নামে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেননি। আর যেহেতু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিতে পারেননি, তাই বার্ধক্য ভাতার জন্য উনি আবেদন করলেও আবেদনের বিষয়টি নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টালে আপলোড করা যায়নি। সেই কারণেই উনি বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন না।”
জামালপুরে ১০৪ বছরের ইব্রাহিম পান না বার্ধক্য ভাতা, কারণ জানলে অবাক হবেন
পরাধীন ভারতে জন্ম। ১০৩ পেরিয়ে ১০৪ বছরে পা দিয়েছেন। তবুও বার্ধক্য ভাতা থেকে বঞ্চিত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের বত্রিশবিঘা গ্রামের শেখ ইব্রাহিম। হাতের আঙুলের ছাপ না ওঠার জন্যই তিনি নাকি বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন না। ভোটের মুখে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়েছে জেলায়। তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।
জামালপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অখ্যাত গ্রাম বত্রিশবিঘা। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই গ্রামের আদি বাসিন্দা হলেন শেখ ইব্রাহিম। তাঁর বক্তব্য, ১৩২৯ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে তাঁর জন্ম। সেই অনুযায়ী বর্তমানে তাঁর বয়স ১০৪ বছর। শেখ ইব্রাহিম জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর রাজ্যের মানুষ নানা প্রকল্পের সুবিধা পেতে শুরু করেন। তা দেখে তিনি বার্ধক্য ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু বার্ধক্য ভাতা তিনি পাননি। হয়তো কিছু ভুল ভ্রান্তি হয়েছে, এমনটা ধরে নিয়ে ফের আর একবার তিনি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন ফর্ম পূর্রণ করে প্রশাসনের দফতরে জমা করেছিলেন। তারপরও বার্ধক্য ভাতা আজ পর্যন্ত পাননি। শেখ ইব্রাহিম তাঁর বাম হাতের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বলেন, “আমার হাতের আঙুলের ছাপ নাকি উঠছে না। এই কথাই আমায় বলা হয়েছে।”
সানিয়া মির্জার স্কিন কেয়ার, ফিটনেস রুটিন জানেন?
জ্যোতিষীর নির্দেশে টানা একবছর ব্রা-প্যান্টি পরবেন না রাখি সাওয়ান্ত!
শেখ ইব্রাহিমের বার্ধক্য ভাতা না পাওয়া নিয়ে জামালপুরের বিডিও পার্থসারথি দে বলেন, “এমনটা তো হওয়ার কথা নয়। কেননা, বার্ধক্য ভাতা পেতে চেয়ে আবেদন করা কোনও ব্যক্তির আঙুলের ছাপ তো আমাদের লাগে না। আমাদের লাগে, নির্ভুল আবেদনপত্র, আবেদনকারীর বয়সের প্রমাণপত্র, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড আর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য।” বিডিও বলেন, “আমার মনে হচ্ছে শেখ ইব্রাহিমের বার্ধক্য ভাতা হয়তো অনুমোদন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ব্যাঙ্কিং কোনও সমস্যার কারণে উনি বার্ধক্য ভাতার টাকা হাতে পাচ্ছেন না।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours