কেন্দ্রের ঘোষণার আগেই গতকাল, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সম্প্রচার মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া সংসদে জানিয়েছিলেন যে এই অ্যাপ রাখা বাধ্যতামূলক নয়। কেউ চাইলে এই অ্যাপ ডিলিট করে দিতে পারেন। সাইবার সিকিউরিটির জন্যই এই অ্যাপ মোবাইলে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।


সঞ্চার সাথী নিয়ে পিছু হটল কেন্দ্র। সমস্ত স্মার্টফোনে সঞ্চার সাথী অ্যাপ্লিকেশন (Sanchar Saathi Application) বাধ্যতামূলকভাবে প্রি-ইন্সটলেশনের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের নির্দেশ দেওয়ার পরই সঞ্চার সাথী অ্যাপ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীরা দাবি করে যে এই অ্যাপের মাধ্যমে সরকার জনগণের উপরে নজরদারি করার চেষ্টা করছে।


অ্যাপেল সহ দেশের সমস্ত স্মার্টফোন উৎপাদক সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সঞ্চার সাথী অ্যাপ মোবাইলে প্রি-ইন্সটল করার। ইতিমধ্য়েই কেন্দ্রের তরফে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে সঞ্চার সাথী অ্যাপের ব্যবহারকারীদের সংখ্যা দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই কারণে প্রি-ইন্সটলেশনের নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। সরকারের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে প্রি-ইন্সটলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এই প্রক্রিয়ায় গতি আনার জন্য।


প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টাতেই ৬ লক্ষের বেশি মানুষ সঞ্চার সাথী অ্যাপ ইন্সটল করেছেন। মোট ১.৪ কোটি গ্রাহক রয়েছে সঞ্চার সাথীর।

কেন্দ্রের ঘোষণার আগেই গতকাল, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সম্প্রচার মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া সংসদে জানিয়েছিলেন যে এই অ্যাপ রাখা বাধ্যতামূলক নয়। কেউ চাইলে এই অ্যাপ ডিলিট করে দিতে পারেন। সাইবার সিকিউরিটির জন্যই এই অ্যাপ মোবাইলে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। গ্রাহকদের সাইবার সুরক্ষা দেওয়া ছাড়া অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই।

একইসঙ্গে বিরোধীরা দাবি করেছিল যে সঞ্চার সাথী অ্যাপের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে, তার উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিন্ধিয়া বলেছেন, “সঞ্চার সাথী অ্যাপের মাধ্যমে নজরদারি সম্ভব নয়, না কখনও সম্ভব হবে।”
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours