প্রাথমিক TET মামলায় হাইকোর্টে জমা পড়ল রিপোর্ট, ২২-এর প্রশ্নপত্রে কোনও ভুলই ছিল না

২০২২-এর ডিসেম্বরে যে টেট পরীক্ষা হয়, তা ফল প্রকাশ হয়েছে আগেই। গত ১৯ নভেম্বর প্রাথমিকে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মোট ১৩ হাজার ৪২১ শূন‍্যপদে নিয়োগ করা হবে। জেলাভিত্তিক বিবরণও প্রকাশ করবে পর্ষদ। তার আগে সামনে এল ভুল প্রশ্নের তথ্য।

কলকাতা: প্রাথমিক টেটে একগুচ্ছ প্রশ্ন ভুল। এমন অভিযোগে মামলা হয়েছিল  অভিযোগ ছিল, ২০১৭ ও ২০২২-এর টেট মিলিয়ে মোট ৪৭টি প্রশ্ন ভুল। সেই মামলাতেই এবার কলকাতা হাইকোর্টে জমা পড়ল বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট। ঠিক কতগুলি প্রশ্ন ভুল ছিল। কত নম্বর পাবেন প্রার্থীরা, সেই বিষয়টি স্পষ্ট হল এই রিপোর্টে।

বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর বেঞ্চে চলছে এই মামলা। আগেই হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে জানায়, ভুল প্রশ্নের জন্য নম্বর পাবেন প্রত্যেকে। যাঁরা মামলা করেছেন, বা যাঁরা মামলা করেননি, প্রত্যেককেই ওই নম্বর দিতে হবে বলে জানিয়ে দেয় হাইকোর্ট। ২০১৭ সালের টেটে ২৩টি এবং ২০২২ সালের টেটে ২৪টি প্রশ্ন ভুল থাকার অভিযোগে মামলা হয় আদালতে। সেই মামলার প্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে আদালত।


সোমবার রিপোর্ট দিয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি জানাল, শুধুমাত্র একটি প্রশ্ন ভুল রয়েছে। রিপোর্ট বলছে, ২০১৭ সালের টেটে একটি প্রশ্ন ভুল রয়েছে, ২০২২ সালের টেটে কোনও প্রশ্ন ভুল নেই। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, ২০১৭ সালে যাঁরা ভুল প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকে ১ নম্বর করে পাবেন।

বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নির্দেশ, আগামী সাতদিনের মধ্যে ২০১৭-র টেটের বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে। এছাড়া আগামী দু’দিনের মধ্যে ২০২২-এর বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে ওই ওয়েবসাইটে।

২০২২-এর ডিসেম্বরে যে টেট পরীক্ষা হয়, তা ফল প্রকাশ হয়েছে আগেই। গত ১৯ নভেম্বর প্রাথমিকে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মোট ১৩ হাজার ৪২১ শূন‍্যপদে নিয়োগ করা হবে। জেলাভিত্তিক বিবরণও প্রকাশ করবে পর্ষদ। সূত্রের খবর, শিক্ষকদের নিজের জেলায় চাকরি দিতে চায় পর্ষদ। তাই কোন প্রার্থী কোন জেলায় পোস্টিং চায়, তা আবেদনে উল্লেখ করে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours