দেহ উদ্ধারের পর হেস্টিংস থানা এলাকায় ওই যুবকের বাড়ির ঠিকানা পায় পুলিশ। সেখানে গিয়ে যোগাযোগ করেন। বাড়িতে রয়েছে শ্রেষ্ঠর বৃদ্ধ বাবা-মা। তাঁদের একমাত্র ছেলে শ্রেষ্ঠ। তিনি অবিবাহিত। বাবা-মা তখনও জানতেনই না, ছেলে আত্মঘাতী হয়েছেন। পুলিশের মারফত খবর পান তাঁরা।

সাতসকালে বন্দর এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়েছিল। কার দেহ, খুন নাকি এর পিছনে রয়েছে, অন্য কোনও কারণ, তা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করে। বেলা গড়াতেই জানা গেল ওই যুবকের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, বন্দর এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া যুবক আদতে হেস্টিংস এলাকার বাসিন্দা। নাম শ্রেষ্ঠ দুর্কা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, কপালের ডান দিকে সিঙ্গল শটার ঠেকিয়ে গুলি চালানো হয়েছে।গুলি মাথা ফুঁড়ে বেরোয়নি।

দেহ উদ্ধারের পর হেস্টিংস থানা এলাকায় ওই যুবকের বাড়ির ঠিকানা পায় পুলিশ। সেখানে গিয়ে যোগাযোগ করেন। বাড়িতে রয়েছে শ্রেষ্ঠর বৃদ্ধ বাবা-মা। তাঁদের একমাত্র ছেলে শ্রেষ্ঠ। তিনি অবিবাহিত। বাবা-মা তখনও জানতেনই না, ছেলে আত্মঘাতী হয়েছেন। পুলিশের মারফত খবর পান তাঁরা।





জানা গিয়েছে, শ্রেষ্ঠ শেয়ার ট্রেড করতেন। ভবানীপুরের একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করতেন। তবে বাড়ি থেকেই অফিস করতেন তিনি। শেয়ারে বিপুল টাকার ক্ষতি করে ফেলেছিলেন তিনি। পাশাপাশি রেলের মাঠে টাকা খাটাতেন, তাতে পুরো নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিল পরিবার।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours