covid 19 Update

Top News

ধীরে ধীরে শক্তি হারাচ্ছে বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ। তার জেরে আগামীকাল, বৃহস্পতিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণও কমবে। তবে আজ সারাদিনই পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। ওড়িশা এবং এ রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেন আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা। পূর্বভাস মতো বৃষ্টিও হয় বিভিন্ন জেলায়। এ দিনের সতর্কতা বার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় মূলত দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে।
এ দিন সকাল থেকে কলকাতায় মাঝেমধ্যে ঝিরঝিরে বৃষ্টি হচ্ছে। আর্দ্রতা  জনিত অস্বস্তি নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রাও অনেকটাই কমেছে। সর্বচ্চো তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ২৬.৮ মিলিমিটার।
কলকাতায় বৃষ্টি কম হলেও, তুলনায় বেশি বৃষ্টি হবে দুই বর্ধমান, বীরভূম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিও হতে পারে। তবে আগামীকাল থেকেই বৃষ্টি কমবে সব জেলাতেই। তবে বর্ষার স্বাভাবিক বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায়।
করোনা সংক্রমণ যাতে কোনওভাবেই না ছড়ায় এটাই একমাত্র চিন্তা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের৷
#মুম্বই:  করোনা ভাইরাস অতিমারির জেরে সারা পৃথিবী নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়েছে৷ এই পরিস্থিতিতে খেলার দুনিয়ায় প্রায় বন্ধ৷ অলিম্পিক্স , টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্টে একবছরের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ তবে এই পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বসছে এয়োদশ পর্বের আইপিএল৷ ক্রিকেটাররা যাতে কোনও ভাবে মারণ রোগের শিকার না হন তার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷
প্রচুর ভারতীয় ক্রিকেটার ধীরে ধীরে জড়ো হচ্ছেন মুম্বইতে৷ এদিকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ক্রিকেটারদের পাঁচ দফা করোনা পরীক্ষা হবে এমনটাই জানিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট৷  ফ্রাঞ্চাইজিরা মনে করছে বড় তারকারা আগামী সপ্তাহখানেকের মধ্যে দলের সঙ্গে যোগ দেবে৷
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে MI আধিকারিকরা এই খবর জানিয়েছে৷ যে ক্রিকেটাররা আসবেন তাঁদের জন্য অত্যন্ত কড়াভাবে করোনা ভাইরাস নিয়মবিধি মেনে চলতে হবে৷
 ‘ঘরোয় ক্রিকেটাররা ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করেছেন৷ যাঁরা আসছেন তাঁদের সকলকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ একমাত্র করোনা ভাইরাস পরীক্ষার সময় ঘর থেকে বেরোনোর অনুমতি রয়েছে তাঁদের৷ বাকি সময় পুরোটাই থাকতে হবে হোটেল রুমেই৷  যা যা পরিষেবা লাগবে তা ক্রিকেটারদের রুমেই দেওয়া হবে৷ ’আধিকারিকরা জানিয়েছে,‘ ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা খুব তাড়াতাড়ি এসে দলের সঙ্গে যোগ দেবে৷ তাদের সকলকেও কোয়ারেন্টাইনে যেতে হবে৷ যখন ক্রিকেটাররা কোয়ারেন্টাইন পিরিয়ড কাটিয়ে ফেলবেন তখন তাঁরা মাঠে অনুশীলন করতে পারবেন৷ ’রোহিত শর্মা থেকে শুরু করে পুরো মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলকেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি যাওয়ার আগে পাঁচ পর্বে করোনা ভাইরাস টেস্টিংয়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে৷ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ‘প্রত্যেক ক্রিকেটাররা নিজেদের শহরে ২ বার করে করোনা টেস্টের মধ্যে দিয়ে যাবেন৷ মুম্বই আসার পর তিন পর্বে আরও কোভিড ১৯ টেস্ট হবে৷ তবে যে সব ক্ষেত্রে ক্রিকেটাররা নিজেদের টেস্ট করতে পারবেন না যে সব ক্রিকেটাররা তখন তাঁদের করোনা পরীক্ষা মুম্বইতেই করানো হবে৷ তবে অন্তত একটা পরীক্ষা বাড়ি থেকে করিয়ে তবেই মুম্বইতে আসতে হবে ক্রিকেটারদের৷ ’ .

একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে যাঁদের শরীরে এটি প্রয়োগ করা হয়েছিল, তাঁরা সুস্থ আছেন, জানিয়েছে সংস্থা।
#‌বেঙ্গালুরু:ভ্যাকসিন, এখন এটাই একমাত্র বাঁচার রসদ বলে মনে করছেন বিশ্ববাসী। করোনা ভাইরাস যেভাবে প্রায় বছরের অর্ধেকের বেশি সময় ধরে তাণ্ডব চালিয়ে চলেছে একইভাবে, সেখানে ভ্যাকসিন ছাড়া ভাইরাসের থেকে মুক্তি নেই, সেটাও মোটামুটি ধরে নিয়েছেন সকলে। আর সেই কারণেই পৃথিবীর প্রায় প্রতিটা দেশ নিজের মতো করোনার টিকা তৈরির কাজ করে চলেছে। সেই কাজই ভারতে করছে Zydus Cadila। আর সেই ভ্যাকসিন তৈরির পথে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছেন তাঁরা।
যে কয়েকটি সংস্থা ভারতে করোনা ভ্যাকসিন তৈরির কাজ করছে, তার মধ্যে Zydus Cadila অন্যতম। সেই সংস্থাই জানিয়েছে, প্রাথমিক হিউম্যান ট্রায়ালের পর দেখা গিয়েছে, মানুষ নিরাপদ আছেন। যাঁদের শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছিল, তাঁরা সুস্থ আছেন। ZyCoV-D নামে এই ভ্যাকসিন আগামী বছর ফেব্রুয়ারি–মার্চ নাগাদ একেবারে তৈরি হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তারপর বছরের ১০০ মিলিয়ন ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারবে সংস্থা। ‘‌আর্লি স্টেজ ট্রায়াল’–বলতে যা বোঝায়, সেই ধাপেই দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্র‌য়োগ করা হয়েছে, তাঁরা সুস্থ আছেন। মনিটারিং বোর্ড নিয়মিত তাঁদের ওপর নজর রাখছে। Zydus ভারতীয় সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম, যেটি মার্কিন সংস্থা Gilead Sciences–এর সঙ্গে একই পথে মিলে Remdesivir‌ তৈরি করছে। যে ওষুধ করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বাড়লে গোটা বিশ্ব জুড়েই প্রয়োগ করা হচ্ছে। ভারতে এখনও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের দৈনিক হার ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। বুধবার ধরে টানা সাতদিন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন দেশে। আক্রান্তের সংখ্যাও ১৯ লক্ষ ছাড়িয়েছে। আমেরিকা ও ব্রাজিলের পরে এখন সর্বোচ্চ আক্রান্ত দেশগুলির তালিকায় তৃতীয় স্থানে ভারত। স্বাভাবিক কারণে এখানে ভ্যাকসিনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সাধারণ মানুষ।
গত ১৪ জুন মুম্বইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাড়িতেই সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়৷ সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে মুম্বই পুলিশ৷
#নয়াদিল্লি: সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তে সম্মতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার৷ এ দিন সুপ্রিম কোর্টকে এ কথাই জানিয়েছেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা৷ বিহার সরকারের সুপারিশ মেনে নিয়েই সিবিআই তদন্তে সায় দিয়েছে কেন্দ্র৷ যার অর্থ মুম্বই পুলিশের হাত থেকে মূল তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ তিন দিনের মধ্যে সুশান্ত মৃত্যুর তদন্ত সংক্রান্ত সমস্ত ফাইল সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার জন্য মুম্বই পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷
সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর দায়ের করা মামলার শুনানি চলাকালীন এ দিন শীর্ষ আদালতকে এ কথা জানান সলিসিটর জেনারেল৷ সুশান্তের বাবা পটনায় যে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, তার ভিত্তিতে শুরু হওয়া মামলার তদন্ত মুম্বইতে স্থানান্তরিত করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন রিয়া৷
মঙ্গলবারই বিহার সরকারের তরফে সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করা হয়৷ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার জানিয়েছিলেন, সুশান্তের পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতেই এই সুপারিশ করা হয়েছে৷
গত ১৪ জুন মুম্বইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাড়িতেই সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়৷ সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে মুম্বই পুলিশ৷ এর পর সুশান্তের বাবার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পৃথক তদন্ত শুরু করে বিহার পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল৷ যদিও শুরু থেকেই এই তদন্ত চালাতে গিয়ে মুম্বই পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে বিহার পুলিশ৷
যেভাবে সুশান্ত মৃত্যু মামলায় নিযুক্ত বিহার পুলিশের এক তদন্তকারী অফিসারকে বৃহন মুম্বই পুরসভার পক্ষ থেকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বাধ্য করা হয়েছে, তা নিয়েও এ দিন অসন্তোষ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত৷
রিয়া চক্রবর্তী, তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাদেও অন্যান্য ছ' জনের বিরুদ্ধে সুশান্তকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনেছিলেন সুশান্তের বাবা কে কে সিং৷ এর পাশাপাশি রিয়ার বিরুদ্ধে বেআইনি ভাবে সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন সুশান্তের বাবা৷
এ দিন শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, 'সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে হয়েছে৷ প্রকৃত সত্যিটা সামনে আসা উচিত৷'
ফের বদলে গেল রাজ্যে পূর্ণ লকডাউনের তারিখ। মু্খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আগে যে তারিখগুলি ঘোষণা করেছিলেন, তার বেশ কয়েকটি দিন বদলে অন্যদিন লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। সোমবারই নবান্নের তরফে পরিবর্তিত তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

গত ২৮ জুলাই সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে লকডাউন চলবে। আগের মতোই অনেক ক্ষেত্রেই মিলবে ছাড়। তবে রাজ্যজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় বাড়ছিল উদ্বেগ। তাই ঠিক হয়, সংক্রমণের চেন ভাঙতে সপ্তাহে দু’দিন করে সম্পূর্ণ লকডাউনের পথে হাঁটবে রাজ্য। সেই মতোই তারিখগুলি ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু কিছুক্ষণ পর এসে জানান, তারিখে সামান্য বদল হচ্ছে। ফের নয়া দিন ঘোষিত হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, বকরি ইদ, রাখি পূর্ণিমা, স্বাধীনতা দিবস ইত্যাদি মাথায় রেখেই কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে সোমবার নবান্নের তরফে ফের জানানো হল, পূর্ব ঘোষিত দিনে কিছু বদল আনা হয়েছে।
আগে বলা হয়েছিল আগস্টের ৫, ৮, ১৬, ১৭, ২৩, ২৪ ও ৩১ তারিখ বাংলায় সম্পূর্ণ লকডাউন (Lockdown) জারি থাকবে। অর্থাৎ বাজার-হাট, পার্লার, ব্যাংক সব বন্ধ থাকবে। যদিও চিকিৎসা, সাফাই, জল, ডেয়ারি, পেট্রল-সহ সমস্ত জরুরি পরিষেবা পাবেন রাজ্যবাসী। তবে এদিন সেই সূচিতে এল একাধিক বদল। জানানো হল, চলতি মাসের ৫ (বুধবার), ৮ (শনিবার), ২০ (বৃহস্পতিবার), ২১ (শুক্রবার), ২৭ (বৃহস্পতিবার), ২৮ (শুক্রবার) এবং ৩১ (সোমবার) হবে পূর্ণ লকডাউন।কেন এই পরিবর্তন? রাজ্য প্রশাসনের বক্তব্য, চলতি মাসে বেশ কিছু উৎসব ও পরব রয়েছে। তাই বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ তারিখ বদলানোর অনুরোধ জানাচ্ছিলেন। গত কয়েকদিনে প্রচুর অনুরোধ এসেছে। তাই সাধারণ মানুষের ভাবাবেগের কথা চিন্তা করেই এই পরিবর্তন করা হয়েছে।
লেবাননের রাজধানীতে মঙ্গলবার যে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এককথায় ভয়াবহ ৷ বিস্ফোরণের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর তা দেখে গোটা দুনিয়াই হকচকিয়ে গিয়েছে ৷ ভিডিওতেই পরিষ্কার যে একটা নয়- পরপর দুটি বিস্ফোরণ ঘটে মঙ্গলবার বেইরুটে ৷  এর কারণ এখনও জানা না গেলেও এইটুকু স্পষ্ট যে বিস্ফোরণ স্থলে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মতো প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক বোঝাই ছিল ৷ যা সাধারণত বোমা তৈরির পাশাপাশি সার তৈরিতেও কাজে লাগে ৷ বিস্ফোরণে কেঁপে গিয়েছে গোটা শহরই ৷

এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে ৭০-এর বেশি সংখ্যায় মানুষ ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৷ পাশাপাশি আহত প্রায় ৪০০০ মানুষ ৷ বন্দর এলাকায় এই বিস্ফোরণের পর উত্তর ও দক্ষিণ লেবানন সব জায়গা থেকেই উদ্ধারকাজের জন্য কর্মীদের পাঠানো হয়েছে ৷ প্রচুর সংখ্যায় অ্যাম্বুল্যান্স পাঠানো হয়েছে দুর্ঘটনাস্থলে ৷ ধ্বংস্তূপের নীচে এখনও অনেক সংখ্যক মৃতদেহ আটকে থাকার আশঙ্কা করছেন সিভিল ডিফেন্সের ওই আধিকারিকরা।বেইরুট সমুদ্র বন্দরের আশপাশের কোনও এলাকায় বিস্ফোরণটি ঘটলেও এর অভিঘাত ছড়িয়ে পড়েছে বহুদূর। কয়েক কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ঘরবাড়ির কাচ ভেঙে গিয়েছে। ২০০৫ সালে খুন হওয়া লেবাননের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি হত্যা মামলায় বিচারের রায় ঘোষণার ঠিক আগেই ঘটেছে এই বিস্ফোরণ। অনেকেই মনে করছেন মঙ্গলবার রাতের বিস্ফোরণের সঙ্গে ওই ঘটনার সম্পর্ক রয়েছ। হতাহতের সংখ্যা যে বহু, লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামাদ হাসানও তা স্বীকার করেছেন।

প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে করোনা আক্রান্তকে দ্রুত শনাক্ত করা এবং তাঁর চিকিৎসা শুরু করাটা অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই করোনা পরীক্ষার ফলাফলের প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে র‌্যাপিড টেস্ট ডিভাইস বা যন্ত্র তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা।

এবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন বীরভূম জেলার সিউড়ি সংশোধনাগারের বন্দীরা। সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়া আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য দপ্তর। ইতিমধ্যেই সংশোধনাগারের ভিতরেই আক্রান্তদের চিকিৎসা শুরু হয়ে গিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে মুখ খোলেননি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ।


জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সিউড়ি সংশোধনাগারে এখনো পর্যন্ত ৩৬ জন বন্দী কয়েদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। গত সোমবার প্রায় ৫০০ জন কয়েদির মধ্যে ১৯৯ জন এর র‍্যাপিড টেস্ট হয়। সেখান থেকে ৩৬ জনের শরীরে ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। সংশোধনাগারের ভিতরের চিকিৎসা কেন্দ্রে রেখে আক্রান্তদের চিকিৎসা শুরু হয়ে গিয়েছে। র‍্যাপিড টেস্টের কিট শেষ হয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার দিন লালারসে নিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে ১৯৬ জন কয়েদির। বুধবার দিন তাদের রিপোর্ট পাওয়া যাবে। বাকিদের আগামী বৃহস্পতিবার দিন পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে সংরক্ষিত এলাকায় কিভাবে করোনাভাইরাসের প্রবেশ সেই নিয়ে চিন্তিত সব মহল।


ইতিমধ্যেই সংশোধনাগারের ভিতরে জীবাণুমুক্ত করার কাজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ মুখ খোলেনি। বীরভূম স্বাস্থ্য জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক হিমাদ্রি আড়ি বলেন, “প্রথমদিন সংশোধনাগারে পরীক্ষায় ৩৬ জন এর করোনা সংক্রমণ পাওয়া পাওয়া গিয়েছে। সংশোধনাগারের ভিতরেই আক্রান্তদের চিকিৎসা করা হচ্ছে।”


ঘটনাটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ারের দক্ষিণ জিতপুরে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকা জুড়ে।

স্থানীয় সূত্রের খবর পাড়ার এক যুবক জলাশয়ে মাছ ধরতে গেলে হঠাৎ জলাশয়ের পারে এক ৭ ফিট দৈর্ঘের অজগর দেখতে পায়। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের তরফ থেকে খবর দেওয়া হয় আলিপুরদুয়ারের বনদফতরকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ দীর্ঘক্ষন অপেক্ষা করার পরেও বনদফতর আসেনি। এরপর খবর দেওয়া হয় আলিপুরদুয়ারের বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংস্থা নামে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি জয়ন্ত দাসকে।

এরপর দীর্ঘ কয়েক ঘন্টা ধরে চেষ্টা করে পাইথনটিকে উদ্ধার করা হয়। শেষ পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া পাইথনটিকে আলিপুরদুয়ার বনদফতরের ডিভিশনাল অফিসে দিয়ে আসেন।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুতে এ বার তদন্তভার যেতে পারে সিবিআই-এর হাতে। আজ মঙ্গলবার সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করল বিহার সরকার। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার একটি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেলকে বলেছেন, ‘‘সুশান্তের পরিবার যেহেতু সম্মতি দিয়েছে, তাই বিহারে দায়ের হওয়া এফআইআর-এর ভিত্তিতে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে।’’ তবে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে সিবিআই তদন্তের দাবি আগেই খারিজ করে দিয়েছিলেন। 
সূত্রের খবর, আজ সকালে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে ফোন করেন সুশান্তের বাবা কে কে সিংহ। মুখ্যমন্ত্রীকেও সিবিআই তদন্তের আর্জি জানান। তার পরেই বিহারের জেডিইউ সরকার সিবিআই তদন্তের সুপারিশের সিদ্ধান্ত নেয়। 
গত ১৬ জুন মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে উদ্ধার হয় সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ। তার পর থেকেই সিবিআই তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছিল বিহারে। তাতে যোগ দিয়েছিলেন সুশান্তের বাবা কে কে সিংহ-ও। মুম্বই পুলিশ কার্যত কিছুই করছে না বলে অভিযোগ তুলেছিলেন। গত কয়েক দিনে বিহার সরকারের উপর সেই চাপ আরও বেড়েছে। সুশান্তের বাবা গতকাল সোমবারও একটি ভিডিয়ো বার্তায় বলেছেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি আমি বান্দ্রা থানার পুলিশকে জানাই যে আমার ছেলের জীবন বিপন্ন। তার পর ১৪ জুন ছেলের মৃত্যু হল। ছেলের মৃত্যুর পর ফেব্রুয়ারিতে অভিযোগে যাঁদের নাম ছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তের কথা বলেছিলাম। কিন্তু ঘটনার ৪০ দিন পরেও কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। তাই আমি পটনা পুলিশে এফআইআর দায়ের করেছি।
প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী কোনও রাজ্য সরকার সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করলে কেন্দ্রও তা মেনে নেয়। ফলে সুশান্তের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে যেতে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে এ ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে মুম্বইয়ে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী আবার সিবিআই তদন্তের আর্জি খারিজ করেছেন। ফলে এ ক্ষেত্রে কী হবে, তা নিয়ে কিছুটা হলেও সংশয় রয়েছে। 
প্রতিদিন আক্রান্ত বাড়ছে অথচ অনেকেই মানছেন না সামাদজিক বিধি। সেসব দেখে বাসিন্দাদের অনেকেই অবিলম্বে ফের একটানা লকডাউনের দাবি তুলছেন।
#বর্ধমান:ফের বর্ধমান শহরে একদিনে ৪৯ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলল। এই নিয়ে জেলার সদর শহর বর্ধমানে আক্রান্তের সংখ্যা ২০০পার হয়ে গিয়েছে।  জেলায় এ দিন পর্যন্ত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে দশ জনই বর্ধমান শহর এলাকার বাসিন্দা। সব মিলিয়ে শহরের সব প্রান্তেই সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। অন্যদিকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শহরের রাস্তায় ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আবেদন ভুলে দোকানে বাজারে ভিড় করছেন। সেসব দেখে বাসিন্দাদের অনেকেই অবিলম্বে ফের একটানা লকডাউনের দাবি তুলছেন।
বাসিন্দারা বলছেন, এখনই লকডাউন না করা গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। এমনিতেই শহরজুড়ে করোনা সংক্রমণ ব্যাপক আকার নিয়েছে। অনেক এলাকায় গোষ্ঠী সংক্রমণ দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা। এভাবে বাজারে দোকানে ভিড় হলে সেই সংক্রমণ ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে। করোনা সংক্রমণ রোধে কী করণীয় তা ভেবে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসনও।
বর্ধমান শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে শহরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১০জন। জেলা প্রশাসন সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গিয়েছে, শহরের প্রায় সর্বত্রই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। শহরের কোনও অংশেই প্রায় করোনা ছড়াতে বাকি নেই। বাইরে যাওয়ার কোনও কেস হিস্ট্রি নেই এমন অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন।
শহরের এক নম্বর ওয়ার্ডে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন আট জন। পাঁচ  নম্বর ওয়ার্ডের আক্রান্ত হয়েছেন তিনজন। শহরের সাত নম্বর ওয়ার্ডে ছয় জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। পঁচিশ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও তিন নম্বর ওয়ার্ড , ষোল নম্বর ওয়ার্ড, তিরিশ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দুই, এগারো, চোদ্দ, পনেরো, তেইশ, উনত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড  সহ অনেক ওয়ার্ডেই নতুন করে করোনা সংক্রমণের প্রমাণ মিলেছে। বর্ধমান শহর লাগোয়া বর্ধমান এক নম্বর ব্লক ও বর্ধমান দু নম্বর ব্লকেও করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা।
করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বাড়ছে কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা। বাসিন্দারা বলছেন, শহরের পাড়ায় পাড়ায় বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে কন্টেইনমেন্টজোন করা হয়েছে। তারপরও করোনার সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। তাই নাগরিক সমাজের একাংশ বলছে আলাদা আলাদাভাবে কন্টেইনমেন্ট জোন  না করে পুরো শহর জুড়েই একটানা লকডাউন জরুরি। সেই লকডাউন যাতে যথাযথভাবে করা যায় তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশ প্রশাসনকে। নচেৎ সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে আগামী দিনে পরিস্থিতি ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে।

দোকান বাজারে এখন স্যানিটাইজার আউট অফ স্টক ! করোনার জেরে একেবারে তটস্থ গোটা দেশ, গোটা বিশ্ব ৷

দোকান বাজারে এখন স্যানিটাইজার আউট অফ স্টক ! করোনার জেরে একেবারে তটস্থ গোটা দেশ, গোটা বিশ্ব ৷
করোনা থেকে বাঁচতে তাই চিকিৎসকরা নিদান দিচ্ছেন, ভাল করে হাত ধুয়ে নিন, মাস্ক পরুন, হাঁচি-কাশির থেকে দূরে থাকুন ৷
কখনও ভেবে দেখেছেন কি? সারাদিন যে আমরা মোবাইল ফোনে ডুবে থাকি, সেটা জীবাণু মুক্ত কিনা? নিজের সঙ্গে সঙ্গে ফোনও রাখুন পরিষ্কার ৷ কীভাবে?
স্মার্টফোনের স্ক্রিন নিয়মিত পরিষ্কার করুন ৷ ব্যবহার করুন স্পিরিট ৷ অথবা দোকান থেকে কিনে নিতে স্ক্রিন ক্লিনার ৷
পরিষ্কার রাখুন ফোনের কিপ্যাড, ইয়ারফোনকেও ৷ পরিষ্কার রাখুন আপনার চার্জার ৷
হাতের সামনে স্পিরিট না পেলে বডি স্প্রেও ব্যবহার করতে পারেন ৷ তবে ভুলেও জলে কিন্তু ধোবেন না আপনার ফোন ৷
মোবাইল কভার ব্যবহার করে থাকলে, তাও রাখুন পরিষ্কার ৷ সাবান জলে পরিষ্কার করে, ভালো করে শুকিয়ে তারপরেই ব্যবহার করুন মোবাইল কভার৷
বারুইপুরে কাপড় পট্টিতে অগ্নিতাণ্ডভ। দাউ  করে জ্বলছে কাপড়পট্টি। স্থানীয়সূত্রে জানা যায় ভোর ২ টো নাগাদ বারুইপুর কাছারি বাজারের কাপড়পট্টিতে আগুন লাগে, দমকলের ১১ টি ইঞ্জিনসহ ১৪ টি পাম্প ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় ।
 আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও সম্পূর্ণ নেভানো যায়নি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার  ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার দীপক কুমার ঘোষ মহাশয় জানান "প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ টি দোকান পুড়ে যায় কিন্তু আগুন লাগার কারণ এখনো তদন্ত ছাড়া জানা যাবে না ,  শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার সম্ভাবনা রয়েছে । বেশিরভাগ কাপড় দোকান হওয়ার কারণে মুহূর্তে র মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, কিছু দোকান কসমেটিক্স অর্থাৎ সেটাইজার ইত্যাদি কারণেও হতে পারে। দমকল কর্মীদের থেকে অভিযোগ এত বড় মার্কেটে আগুন নেভাতে বার বার জল শেষ হচ্ছে, কিন্ত মার্কেটের মধ্যে জল ভরার কোনো ব্যবস্থাই নেই।" জানা মাত্রই দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু ৩টে দমকল ইঞ্জিন পাঠান কোরোনার সময় এই দুর্বিসহ ভয়াবহ আগুন লাগার কারণে স্হানীয় বাসিন্দারা খুব হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। অল্প সময়ের মধ্যে অনেকটি জায়গা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ঘটনাস্থলে আরো জলের ট্যাংক ও দমকলের ইঞ্জিন আসার কথা রয়েছে। আগুন  এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি কিন্তু  যতটা সম্ভব আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চলছে।