শোনা যায়, চিত্রগুপ্তের খাতাতেই মানুষের পাপ পুণ্যের হিসাব লেখা থাকে। আর সেই মতোই ঠিক হয়, মৃত্যুর পর স্বর্গ নাকি নরক, ঠাঁই হবে কোথায়। শুধু তাই নয়, কার কত বছরের আয়ু হবে তাও নাকি খাতায় লিখে রাখে সে। বাতানলের কায়স্থ সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, চিত্রগুপ্ত তাদেরই বংশধর ছিল। তাই তারা এই পুজো করে।

চিত্রগুপ্তের পুজোর পরই ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেওয়ার চল আরামবাগের এই গ্রামে
চিত্রগুপ্ত দেবতার পুজো।

হুগলি: তেত্রিশ কোটি দেবতা। তার মধ্যে আছে যমরাজের করণিক চিত্রগুপ্তও। এ কথা হয়ত খুব কম মানুষই জানেন। তবে হুগলির বাতানলে কিন্তু ভাইফোঁটার সকালে পূজিত হয় চিত্রগুপ্ত। ভারতবর্ষের একমাত্র বাতানল গ্রামেই চিত্রগুপ্তকে পুজো করার পর গ্রামের বোনেরা ভাইয়ের কপালে দেয় চন্দনের ফোঁটা। বোনেরা যে প্রান্তেই থাকুক না কেন চিত্রগুপ্তের পুজোর শুরুতেই গ্রামে হাজির হবেই। কলকাতার শ্যামবাজারে ‘বঙ্গীয় কায়স্থ সমিতি’তে এক সময় এই পুজো হতো। তবে তা এখন বন্ধ।


শোনা যায়, চিত্রগুপ্তের খাতাতেই মানুষের পাপ পুণ্যের হিসাব লেখা থাকে। আর সেই মতোই ঠিক হয়, মৃত্যুর পর স্বর্গ নাকি নরক, ঠাঁই হবে কোথায়। শুধু তাই নয়, কার কত বছরের আয়ু হবে তাও নাকি খাতায় লিখে রাখে সে। বাতানলের কায়স্থ সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, চিত্রগুপ্ত তাদেরই বংশধর ছিল। তাই তারা এই পুজো করে।


মঙ্গলবারও ভাইফোঁটা উপলক্ষে পুজো হচ্ছে চিত্রগুপ্তের। বাতানল কায়স্থ পাড়ায় চিত্রগুপ্ত পুজো কমিটি রয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে পুজো শুরু। বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আসেন এই পুজো দেখতে। প্যান্ডেল করে, প্রতিমা এনে চলে পুজোপাঠ। ঢাক, ঢোল বাজিয়ে, নৈবেদ্য সাজিয়ে চলে চিত্রগুপ্তের পুজো।


Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours